Image

নৈঃশব্দের গান

দাদা,আপনাদের একটা নৌকায় তো হবে না,দুটো লাগবে নইলে যাওয়া যাবে না.. থানচিতে আমাদের ভাড়া করা গাইড প্রদীপ এভাবেই বললো। সারারাত বাসে আধোঘুমে কাটিয়ে সকালে বান্দরবান গিয়েই খরচ কমানোর জন্য আবার লোকাল বাসে উঠেছিলাম।বিশাল ব্যাগ নিয়ে দুই সিটের সংকীর্ণ যায়গায় কোনোমতে পা ঢুকিয়ে  ঘণ্টা বসে থেকে বান্দরবানের এক কোনায় পড়ে থাকা ছিমছাম থানচিতে এসে এসব কথা শুনে আমাদের আর যাই হোক ভালো লাগে নি  কি করা যায় ভাবছিগাইড তাড়া দিচ্ছে অইদিকেদাদা টা তো বেজে গেলো তাড়াতাড়ি করুন।শেষে তড়িঘড়ি করে আনসার ক্যাম্পে ফরম পূরণ করে ঘাটে এলাম। দামাদামি করে দুইটা নৌকা ঠিক করে আরাম করে বসে পড়লাম নৌকায়সরু নদী সাঙ্গুদুইপাশেই অজস্র প্রাণ উপচে পড়ছে। আদিবাসীরা কেউ কেউ গোসল করছে কেউবা নৌকা দিয়ে বাজারে আসছে।নৌকা গুলো ছোট ছোট,চলার সময় পিছনে পানির ঝাপ্টায় রংধনুর রঙ তৈরী হয়। ছোট নৌকা গুলোতেই পেছনে ইঞ্জিন লাগিয়ে সাঙ্গুতে চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। রাডার নেইছোট একটা প্রপেলারের পিছে বাঁকানো একটা দাঁড়া,ঐটাই আপাতত রাডার।

নদীর ফুরফুরে হাওয়া এসে মুখে লাগতেই বিরক্তিভাব টা চলে গেলো।নৌকা চালু হওয়ার কিছুক্ষন পরেই জনপদ আর তামাক ক্ষেত বিদায় নেয়া শুরু করলো দুইপাশ থেকে,আর পোষ না মানা পাহাড়গুলো যেনো গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে আসছিলো আমাদের দিকে।অগভীর সাঙ্গুতে কিছুক্ষন পরপরই নৌকার তলা ফেঁসে যাচ্ছে বালিতে অথবা ঘষা খাচ্ছে পাথরে আর মাঝি গায়ের জোরে লগি মেরে আগাচ্ছে।কিন্তু ওইসব দেখে কে!দুইপাশের পাহাড়গুলোর রুক্ষ রূপ যেনো জাদু করেছিলো এই শহুরে দুই চোখে পড়ন্ত বিকেলের আলো পাহাড়গুলোর মাথায় সোনারং লাগিয়ে রেখেছে।দুই পাড়ের পাহাড়গুলোর ছায়ায় সাঙ্গুর পানি তখন ঘন সবুজ।মাঝে মাঝে রেমাক্রি ফেরত নৌকা আর পাহাড়ের ঢালে জুম কাটার জন্য বানানো কুড়েঘর থেকে তাকিয়ে থাকা আবছা মানুষএই ছিলো পুরো রুটের লোকজন।যতই সামনের দিকে চোখ যায়ততই যেনো সবুজ হলুদের মেলা চলছে পাহাড়ে পাহাড়েমাঝে সাজে রুক্ষ গ্রানাইট উঁকি দিয়ে শাসন করছে প্রানের এই অবাধ মেলামেশা।রঙ্গিন প্রজাপতিরা ইতিউতি উড়ে বসন্তের জানান দিচ্ছে। দুরের ছোট ছোট মাচাং গুলোর ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় উড়ছে সন্ধ্যার খবরসবকিছু মিলিয়ে এই ধোঁয়াটে সপ্নাচ্ছন্ন জগতে নিজের অস্তিত্ব যেনো মিশে যাচ্ছিলো সন্ধ্যার আঁধারের সাথে। সবুজ পানিতে সাদা ফেনার আলোড়ন,দুহাত নিচেই চিকচিক করতে থাকা পাথরগুলো,ঠান্ডা বাতাস,সবকিছুই আলগা সাবধানতার বাঁধন গুলো একটা একটা করে খুলে ফেলছিলো।বাতাস কানে কানে বলছেআজ হারিয়ে যাইচলো। দূর থেকে যখন তিন্দুর সাইনবোর্ড দেখলাম,সন্ধ্যার বেশি বাকি নেই তখন। তিন্দুর একটু পরেই আছে সাঙ্গুর বিখ্যাত রাজা পাথরস্থানীয় দের পূজনীয় এই বিরাট পাথর পার হওয়ার একটু পরেই মাতলামির ষোলকলা পূর্ণ করতেই যেনো পাহাড়ের ওপার থেকে উঁকি দিলো পূর্নিমার চাঁদ।মায়াবী হলদে আলোয় অবাধ্য পাহাড়গুলোকে ঢেকে দিলো নরম চাদরে।এই অদ্ভুত মুগ্ধতা আমাদের একদম নিশ্চুপ করে দিয়েছিলো।অবাক হয়ে দেখছিলামপাহাড় আর চাঁদের লুকোচুরিদুরদেশীদের মুগ্ধ করতে তার যত ছলাকলান্যাড়া পাহাড়ের আড়ালে আড়ালে তার অনুসরণআঁধারে কলকল করে বয়ে চলা সাঙ্গুতে যেনো পরীরা নেমেছে চাঁদের আলোয় গোসল করতে।এমন স্তব্ধতার ভিতরেই রেমাক্রি ঘাটে আমাদের নৌকা ভিড়লো।

রেমাক্রি বেশ বড় পাড়া।নদীর দুই পাশের পাহাড়েই মাচাং বেঁধে আদিবাসীদের বসবাস।শীতের মৌসুমে ঘাটের আগেই নদীতীরে বাজার বসে। নেটওয়ার্ক,ইলেক্ট্রিসিটি কিছুই নেই রেমাক্রি তে,সন্ধ্যার পর ডিজেল চালিত জেনারেটরের সাহায্যে ঘাটের একটু দুরেই লাল পিয়ান দাদার কটেজে আমাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা হলো। কটেজ থেকে নদী দেখা যায়।রাতে ওনার বাসায় খেতে গেলাম।ঝাল করে রান্না পাহাড়ি মুরগি,আলুভর্তা,বাঁশের কোঁড়ের ডাল,ডিমভাজি।একেকজন গলা পর্যন্ত খাইলাম।এতো মজার মুরগি অন্য কোথাও খাইছি বলে মনে পড়ে না।খাওয়ার আগে একজন ফতোয়া দিলো,পাহাড়ি মুরগি খাওয়া যাবে না।একটু পর দেখা গেলো তার প্লেটেই সবচেয়ে বড় টুকরা।তার ভাষ্যমতে,ভুল করে ঝোল খেয়ে ফেলেছে,বাকিটা খেলে কিছু হবে না। জম্পেশ খাওয়া-দাওয়ার পর চাঁদের আলোয় এদিক ওদিক খানিক ঘুরে ফিরে দেখলাম পাড়াটা।বেশ কয়েকটা দোকান আছে পাড়ায়,দোকানে দোকানে টিভি চলছে,সবাই ভিড় করে আছে সেখানে । আরো কিছুক্ষণ হেঁটে একপ্রস্থ চা খেয়ে কটেজে এসে বসার ঘরে সবাই গোল হয়ে বসলাম। শীত পড়েছে জাঁকিয়ে। নিচে কলকল শব্দে বয়ে চলছে সাঙ্গু আর কোনো সাড়াশব্দ নেই। বেশ কিছুক্ষণ গল্পগুজব করে শুয়ে পড়লাম। পরদিন যেতে হবে নাফাখুমে।

নাফাখুম নিয়ে যাবে হাওয়াই মং।সহজ সরল লোক,সাঙ্গুতে নৌকা চালায়,গাইড করা তার সিজনাল ব্যবসানাফাখুমের পরে সে কিছু চেনেও নামানুষ ক্যান এতো দূর থেকে খুম দেখতে আসে সেটাও সে ভালো মতো বুঝে না  এই লোক পরদিন ভোর  টায় এসে ডাকাডাকি শুরু করলো।প্রচন্ড শীতের ঠেলায় দরজার বাইরে তখন পা দেওয়ার অবস্থা নেই।এর ভিতরই কোনোমতে কাঁপতে কাঁপতে বের হলাম খুমের পথে। বাইরে কুয়াশার ঝিল্লি দিয়ে ঢাকা সবকিছু।নদী থেকে ভাপ উঠার মতো কুয়াশা উঠছে।গাছেরাও তখন জাগে নি রেমাক্রি থেকে নাফাখুম দেড়-দুই ঘন্টার হাঁটা পথ।মারমা ভাষায় খুম মানে জলপ্রপাত । নাতিং নামক এক প্রকার মাছ উজান ঠেলে খুমে এসে আর পার হতে পারে না , পার্শ্ববর্তী ছোট ছোট গুহায় আশ্রয় নেয়।আদিবাসীরা সেখান থেকে মাছ গুলো সংগ্রহ করে বলেই এটি নাফাখুম বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত। রেমাক্রি খাল ঘেঁষে,পাহাড়ের আড়ালে আড়ালে চলে গেছে খুমে যাওয়ার পথ টা। পথে কিছু অস্থায়ী দোকান পড়ে সেখান থেকে কলা আর সেদ্ধ ডিম দিয়ে নাস্তা করে নিলাম আমরা।নাফাখুম যেতে হলে বেশ কয়েকবার রেমাক্রি খাল পাড় হতে হবে,শীতের মৌসুমে পানি আমাদের হাঁটু পর্যন্ত ছিলো।রেমাক্রি থেকে নাফাখুম পুরো পথ টাই বেশ সুন্দর,কখনো খালের পাশ দিয়ে কখনো পাহাড়ের গা বেয়ে কখনো বালুময় পথে হেঁটে চললাম। দুই ঘন্টা পর যখন নাফাখুম দেখলাম দূর থেকেসূর্যের রশ্মি পাহাড় পেরিয়ে ঠিক খুমের উপর পড়ছে আমরা ছাড়া আর কেউ নেই তখন। রেমাক্রি খালের পানি বেশ কয়েক ধাপ সজোরে নেমে এই অনিন্দ্য সুন্দর খুম টা তৈরী করেছে। দুই পাশে সবজে উঁচু পাহাড়,কুয়াশার হালকা পর্দায় ঘেরা সব ,আর এর ভিতর গর্জন করে বয়ে চলেছে নাফাখুমের সবুজ-নীল পানি।

                            

মনে হচ্ছিলো লর্ড অব দ্য রিংসের এলফদের সেই সিটি অফ রিভেনডেল চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি।বড় বড় পাথর কেটে পানির স্রোত কিছুদূর গিয়েই সবজে নীল রঙ ধরে শান্ত হয়ে গেছে। খুমের পাশের পাহাড়ের বাড়িগুলো থেকে রান্নার ধোঁয়া উঠছে। সব মিলিয়ে মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।মুগ্ধতার রেশ কাটিয়ে যখন ফিরবো ভাবছিদেখি হাওয়াই মং সেলফি তোলায় ব্যস্ত ফিরে গিয়ে রেমক্রি খালে গোসল করে ব্যাগ গুছিয়ে নিলাম।সবুজ পানি,সাঙ্গু নদীআমাদের জন্য অপেক্ষামাণ রাজা পাথরকলসি পাথরদের বিদায় দিতে হবে।যেতে হবে দূরেবগালেকে

          থানচি থেকে বান্দরবানবান্দরবান থেকে রুমা। রুমায় নতুন গাইড পেলামনাম হাবিব। কোনোরকম কাজের ভিতর নেই,কুঁড়ের বাদশাগালগল্পে ওস্তাদ।গাইড আর বগালেকে যাওয়ার পারমিশন নিয়ে চেপে বসলাম গাড়িতে।দেড় দুই ঘন্টার মতো ধুলার সাগরে হাবুডুবু খেতে হলো একে তো বাজে রাস্তা এর উপর খালি চড়াই উতরাই।মাঝে একবার গাড়ি থেমে যাচ্ছে আর আমরা সবাই মিলে ঠেলা দিয়ে আবার চড়ে বসছিএতো বাজে রাস্তার পর যখন বগালেক দেখলাম ,মন আপনাআপনি শান্ত হয়ে এলো। দেশের সবচেয়ে গভীর প্রাকৃতিক এই লেকের পানি একদম শান্তস্থিরমাঝে মাঝে বাতাসে তিরতির করে কাঁপন উঠছে পানিতে।দুই পাহাড়ের কোলে শুয়ে থাকা গভীর এই লেকে ব্যস্ততা বলে মনে হয় কিছু নেই। সময়টাকে যেনো পাহাড় গুলো আটকে রেখেছে শক্ত হাতেএই পাড়ায়  আসতে পারবে না। পাড়ার মানুষগুলোও সময়ের ধার ধারে না,সব সময় মুখে হাসি ধরে রেখেছে,সারাক্ষন বসে ক্যারম খেলছে আর একটু পর পর খুব হাসাহাসি চলছে  বগালেকে গোসল করে সন্ধ্যায় লেকপাড়ের বেঞ্চে বসে গল্পগুজব করতে করতে আঁধার নামতে দেখলাম লেকের পানিতে।স্থানীয় আদিবাসীদের বাড়িতে বাইবেল পাঠ করছে , ঢং ঢং করে কি একটা যেনো বাজাচ্ছে অবশ অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। লেকের কোন বিকার নেই।শত শত বছর ধরে এসব দেখে আসা লেক তার কালো পানিতে কত কি রহস্য লুকিয়ে রেখেছে তার খবর কেউ কোনদিন নেয় নি … দশটা বাজতেই এখানে ঘুমিয়ে পড়ার নিয়ম।গভীর রাতে চাঁদ যখন পাহাড় ডিঙিয়ে পাড়ায় উঁকি দিলোবাতাস আর লেকের পানির মৃদু ফিসফিসানি ছাড়া এই নিঝুম পাড়ায় আর কোন শব্দ সে শুনতে পায় নি 

      পরদিন সকাল সকাল বের হলাম কিওক্রাডং এর পথে। পাহাড়ি চালের ভাত,আলু ভর্তা আর একটা পাহাড়ি সবজি দিয়ে নাস্তা করে নিলাম সবাই। বগালেক পাড়া থেকে  কিওক্রাডং যেতে তিন –চার ঘন্টার মতো লাগার কথাহেঁটেও যাওয়া যায় আবার জীপ গাড়ি ভাড়া করেও যাওয়া যায়। পথে দুই তিনটা ঝর্না পড়ে কিন্তু শীতকালে অধিকাংশই মরে যায়। কিওক্রাডং ট্রেকিং এ বারাবার চড়াই উৎরাই করে সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে মানুষ।তাই কিছুদুর পর পরই বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নেয়ার ব্যবস্থা আছে। পাহাড়ের ভিতর দিয়ে দিয়ে পায়ে চলা সরু পাহাড়ি পথ ধরে হেঁটে চললাম আমরা ক’জন।কাশফুল আর ছোট ছোট নাম না জানা ফুলে পাহাড় ভর্তি হয়ে আছে দুইপাশেই বহুদূর পর্যন্ত দৃষ্টি যায়। চিংড়ী ঝর্ণা পার হয়ে আধাআধি এসে পেয়ে গেলাম ভানু মুরং কে।ভানু আর তার বড় ভাই কলা বিক্রি করে সকালে ,তারপর স্কুলে যায়। দুই মুরং ভাইকে বিদায় দিয়ে আরেকটু হেঁটে পৌছুলাম দার্জিলিং পাড়ায়।আর কিছুদুরেই কিওক্রাডংসেখানে এক দোকানে হালকা খেয়ে আবার হাঁটা দিলাম পাহাড়ি পথ ধরে। কিওক্রাডং  যখন পৌঁছাই১১ টা বেজে গেছে। চারপাশ ঘুরে দুপুরে খেয়ে নিলাম লালা বমের বাসায়। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে রওনা দিলাম বগালেকে। কিওক্রাডং এ ওঠার চেয়ে নামা বেশ সোজা। পথে বেশ কিছু স্থানীয় কবর চোখে পড়লো। ক্রশ আঁকা কবর গুলোর দিকে দেখাতেই হাবিব ভাই বললেন এলাকার মানুষদের কবর, বেশিরভাগই এখানে  মারা যায় ম্যালেরিয়ায় নয়তো সাপের কামড়ে। প্রায় দুই ঘন্টা হেঁটে বগালেক যেতে যেতে বিকেল হয়ে গেলো।

রাতটা কাটিয়ে এবার ঢাকার পথ ধরলাম।সহজ সরল , হাসিখুশি আদিবাসী , লেকের নিশ্চুপ গভীর নিরবতাকে বিদায় জানাতে হবে এবার। রাত  টায় বাস।স্বর্ণ মন্দির ঘুরে এসে নিলাচলে বসে গল্পগুজব করছি সবাই মিলে।পুরো বান্দরবান শহর দেখা যায় এখান থেকে। আঁধার নামতেই দূর শহরে টিমটিমে বাতি জ্বলে উঠছে একের পর এক।বিশাল এলাকায় অই শহরের বাতি দেখে খুব ভালোলাগা কাজ করে মনে।জমাট বাঁধা জীবন যেনোএকটু আধটু ঢাকাকেও মনে পড়ছে।বুড়িগঙ্গার তীরের বাড়িগুলো থেকে নদীর দিকে তাকালে এইরকমই সুন্দর রাতের জীবন দেখা যায়।ঢাকার কথা মনে পড়তেই পরিচিত প্রিয় মুখগুলো ভেসে উঠলো চোখের সামনে।এইতো আর কয়েক ঘন্টা।ড্রাইভার তাড়া দিচ্ছে বারবার বের হবার জন্য।আমরা ছাড়া বাইরের লোক  কেউ নেই তখন।ঠান্ডা বাতাস কুয়াশা তাড়িয়ে নিয়ে আসছে আমাদের দিকেঅন্ধকার রাস্তায় হাঁটছি আর পিছন থেকে একজন গান ধরলোফাগুনের দিনশেষ হবে একদিন  

আসলেই,ফাগুনের দিনগুলি শেষ হয়ে যায়,কিন্তু ফাগুন রয়ে যায় … 

  • : Dhaka to Bandarban,Nafakhum,Boga lake, Keokradang
  • :
  • : Bandarban,Nafakhum,Boga Lake
  •  asikul Islam Himel_13 batch_1312051
     asikul Islam Himel_13 batch_1312051
     নৈঃশব্দের গান
  • : bus
  • : 6
  • : Offered by the locals.

0 comments

Leave a comment

Login To Comment