Image

যান্ত্রিক শহর থেকে মুক্তি

আমরা এমন জীবনে বাস করি অন্য কিছু করার সময় থাকে নাহ।মনের মত কাজ করতে গেলে তা জীবনের বিরুদ্ধে চলে যায়।আর যদি আপনি অধিক টাকার মালিক নাহ হন তাহলে এই জীবনে তো জামেলার শেষ নাই।

ছোট বেলা থেকেই ভ্রমনের ব্যাপক ইচ্ছা কিন্তু বাদ্য বাদকতা করনে তেমন হয়ে উঠে নাই।কলেজে প্রথম নেএকোনা দিয়ে ভ্রমনের শুরু একটা রোমাঞ্চকর ভ্রমন  ছিল ওই সময়ে।

বর্তমান কোথায় আছি সিলেট যাওয়ার কারণ হলো ছবি তোলার জন্য আমি বেশ কিছু বছর ধরে ছবি তুলি অন্যরকম একটা শান্তি পাই জানি নাহ কেন।

আমরা ছয় জন ছিলাম সিলেটে।আমি এর আগেও সিলেট গেছি কিন্তুু এবার প্রধান উদ্দেশ্য ছবি তোলা সাথে একটা ক্যামেরা ছিল ঘোরার চেয়ে প্রকৃতির ছবি তোলায় প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আমার।লালাখাল আর বিছানাকান্দি যাওয়া হয় নাই তো এবার সবাই ঠিক করলাম রে লালাখাল আর বিছানাকান্দি  যাব।

লালাখাল তো বলার কিছুই নাই শান্ত কোন শব্দ নাই নিশ্চুপ চারিদিক।বেশ মজাই করলাম।

দ্বিতীয় দিন গেল বিছানাকান্দি এর আগে যাওয়া হয়নি সিলেটের বিছানাকান্দি সবচেয়ে সুন্দর যেটা আমি মনে করি।ঐদিন অন্যরকম একটা ওয়েদার ছিল একটু ঘোলাটে একটু মেঘলা একটু রোদেলা।

ছবি তুলতে শুরু করলাম বেশ ভালো ছবি পাচ্ছিলাম নদীর ধারে মানুষ ছোট ছোট বাচ্চারা দেশি ষাঁড় এরকম আর অন্য কোন জায়গায় দেখা যায় না 

কিন্তু আমরা পৌঁছালাম বিছানাকান্দিতে কিন্তু তখন বৃষ্টি বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল একটু সামনে যাওয়ার পরপরই মাত্র অল্প কিছু ছবি তুললাম ক্যামেরা নিয়ে চলে গেলাম নৌকায় আমার সাথে যারা ছিল ওরা সবাই সামনে চলে গেছে ক্যামেরা নিয়ে নৌকা চিন্তা করতেছি কি করব হাতে সময় মাত্র 1 ঘন্টা ছবি নাইবা তুললাম কিন্তু পানিতে না  ভালো লাগে নাহ।জানিনা আবার কবে না কবে আসবো আর যদি পানিতে না যাই কি করি মাথা কাজ করতেছিল না।নৌকার মাঝি দুইটা বাচ্চা ছিল ছোট বেশি বড় না বয়স কি তিন চার পাঁচ ছয় হবে তো কথা ছিল আমার দিকে এত আমি চিন্তা করলাম ক্যামেরা ওদের কাছে দিয়ে যাই যা হওয়ার হবে ছোট মানুষ কেউ যদি ক্যামেরা হাত থেকে নিয়ে যাও আর কিছু করতে হবে না আশে পাশে হাজার মানুষ এক মিনিট চিন্তা করে সাহস করে ক্যামেরা ওদের কাছে দিয়ে গেলাম যদি কবে না কবে আবার আসব।ক্যামেরা দিয়ে আমি পিসিকে বললাম যে ধরে বসে থাকো আমি না আসে বন্ধু কাউকে দিবানা তো আমি গিয়ে 20 মিনিটের মত পানিতে এগিয়ে গেলাম পরে নৌকা আসলাম পরে দেখি ওই পিচ্চি ক্যামেরা নিয়ে বসে আছে।অবাকই হলাম কারণ ও যদি চাইত ইচ্ছা করে ইচ্ছা করলে ক্যামেরা নিয়ে চলে যেতে পারতাম কারন এমন অনেক বার হয়েছে যে চুরির ক্যামেরা ব্যাগ এর সব চুরি হয়ে যায়। তো কোন ঝামেলা ছাড়াই পরে কিছু ছবি তোলার পরে চলে আসলাম

আসার পথে স্টেডিয়ামের একটা চা বাগান ছিল সিলেট শহরে চা বাগান টা ছোট কিন্তু সুন্দর ওইখানে গেলাম আমরা  পরের দিন ঢাকা চলে আসলাম।

ভ্রমণ আপনাকে বাস্তব জিনিস  শিখাবে যা আপনি অন্য কোথাও থেকে শিখতে পারবেন নাহ 

দোয়া করবে আরো ভ্রমন করতে পারি 

  •  দুই দিনের সিলেট
  •  Bangladesh
  •  সিলেট
  •  Bus
  •  হোটেল
  •  ভাত ডাল মুরগি

0 comments

Leave a comment

Login To Comment