Image

নৈঃশব্দ্যের গান

দাদা, আপনাদের একটা নৌকায় তো হবে না, দুটো লাগবে নইলে যাওয়া যাবে না… থানচিতে আমাদের ভাড়া করা গাইড প্রদীপ এভাবেই বললো। সারারাত বাসে আধোঘুমে কাটিয়ে সকালে বান্দরবান গিয়েই খরচ কমানোর জন্য আবার লোকাল বাসে উঠেছিলাম। বিশাল ব্যাগ নিয়ে দুই সিটের সংকীর্ণ যায়গায় কোনো মতে পা ঢুকিয়ে ৫ ঘণ্টা বসে থেকে বান্দরবানের এক কোণায় পড়ে থাকা ছিমছাম থানচিতে এসে এসব কথা শুনে আমাদের আর যাই হোক ভালো লাগেনি। কী করা যায় ভাবছি, গাইড তাড়া দিচ্ছে— দাদা, ৪টা তো বেজে গেলো, তাড়াতাড়ি করুন। শেষে তড়িঘড়ি করে আনসার ক্যাম্পে ফরম পূরণ করে ঘাটে এলাম। দামাদামি করে দুইটা নৌকা ঠিক করে আরাম করে বসে পড়লাম নৌকায়। সরু নদী সাঙ্গু, দুই পাশেই অজস্র প্রাণ উপচে পড়ছে। আদিবাসীরা কেউ কেউ গোসল করছে কেউবা নৌকা দিয়ে বাজারে আসছে। নৌকাগুলো ছোট ছোট, চলার সময় পেছনে পানির ঝাপ্টায় রংধনুর রঙ তৈরী হয়। ছোট নৌকাগুলোতেই পেছনে ইঞ্জিন লাগিয়ে সাঙ্গুতে চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। রাডার নেই, ছোট একটা প্রপেলারের পিছে বাঁকানো একটা দাঁড়া, ঐটাই আপাতত রাডার।

নদীর ফুরফুরে হাওয়া এসে মুখে লাগতেই বিরক্তি ভাবটা চলে গেলো। নৌকা চলতে শুরু করার কিছুক্ষণ পরেই জনপদ বিদায় নেয়া শুরু করলো দুই পাশ থেকে। আর পোষ না মানা পাহাড়গুলো যেনো গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে আসছিলো আমাদের দিকে। অগভীর সাঙ্গুতে কিছুক্ষণ পরপরই নৌকার তলা ফেসে যাচ্ছে বালিতে অথবা ঘষা খাচ্ছে পাথরে। মাঝি গায়ের জোরে লগি মেরে এগিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু ওইসব দেখে কে! দুইপাশের পাহাড়গুলোর রুক্ষ রূপ যেনো জাদু করেছিলো এই শহুরে দুই চোখে। পড়ন্ত বিকেলের আলো পাহাড়গুলোর মাথায় সোনা-রং লাগিয়ে রেখেছে। দুই পাড়ের পাহাড়গুলোর ছায়ায় সাঙ্গুর পানি তখন ঘন সবুজ। মাঝে মাঝে রেমাক্রি ফেরত নৌকা আর পাহাড়ের ঢালে জুম কাটার জন্য বানানো কুঁড়েঘর থেকে তাকিয়ে থাকা আবছা মানুষ, এই ছিলো পুরো রুটের লোকজন। যতই সামনের দিকে চোখ যায়, ততই যেনো সবুজ হলুদের মেলা চলছে পাহাড়ে পাহাড়ে, মাঝে সাজে রুক্ষ গ্রানাইট উঁকি দিয়ে শাসন করছে প্রাণের এই অবাধ মেলামেশা। রঙ্গিন প্রজাপতিরা ইতিউতি উড়ে বসন্তের জানান দিচ্ছে। দূরের ছোট ছোট মাচাংগুলোর ধোঁয়ায় উড়ছে সন্ধ্যার খবর। সবকিছু মিলিয়ে এই ধোঁয়াটে স্বপ্নাচ্ছন্ন জগতে নিজের অস্তিত্ব যেনো মিশে যাচ্ছিলো সন্ধ্যার আঁধারের সাথে। সবুজ পানিতে সাদা ফেনার আলোড়ন, দু’হাত নিচেই চিকচিক করতে থাকা পাথরগুলো, ঠাণ্ডা বাতাস, সবকিছুই আলগা সাবধানতার বাঁধনগুলো একটা একটা করে খুলে ফেলছিলো। বাতাস কানে কানে বলছে, আজ হারিয়ে যাই চলো। দূর থেকে যখন তিন্দুর সাইনবোর্ড দেখলাম, সন্ধ্যার বেশি দেরি নেই তখন। তিন্দুর একটু পরেই আছে সাঙ্গুর বিখ্যাত রাজা পাথর। স্থানীয়দের পূজনীয় এই বিরাট পাথর পার হওয়ার একটু পরেই মাতলামির ষোলকলা পূর্ণ করতেই যেনো পাহাড়ের ওপার থেকে উঁকি দিলো পূর্ণিমার চাঁদ। মায়াবী হলদে আলোয় অবাধ্য পাহাড়গুলোকে ঢেকে দিলো নরম চাদরে। এই অদ্ভুত মুগ্ধতা আমাদের একদম নিশ্চুপ করে দিয়েছিলো। অবাক হয়ে দেখছিলাম, পাহাড় আর চাঁদের লুকোচুরি, দূরদেশীদের মুগ্ধ করতে তার যত ছলাকলা, ন্যাড়া পাহাড়ের আড়ালে আড়ালে তার অনুসরণ। আঁধারে কলকল করে বয়ে চলা সাঙ্গুতে যেনো পরীরা নেমেছে চাঁদের আলোয় গোসল করতে। এমন স্তব্ধতার ভিতরেই রেমাক্রি ঘাটে আমাদের নৌকা ভিড়লো।

রেমাক্রি বেশ বড় পাড়া। নদীর দুই পাশের পাহাড়েই মাচাং বেঁধে আদিবাসীদের বসবাস। শীতের মৌসুমে ঘাটের আগেই নদী তীরে বাজার বসে। নেটওয়ার্ক, ইলেক্ট্রিসিটি কিছুই নেই রেমাক্রিতে। তবে জেনারেটর দিয়ে কিছু কাজ চালানো হয়। ঘাটের একটু দুরেই লাল পিয়ান দাদার কটেজে আমাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা হলো। কটেজ থেকে নদী দেখা যায়। রাতে ওনার বাসায় খেতে গেলাম। ঝাল করে রান্না পাহাড়ি মুরগি, আলুভর্তা, বাঁশের কোঁড়ের ডাল, ডিমভাজি। একেকজন গলা পর্যন্ত খেলাম। এতো মজার মুরগি অন্য কোথাও খেয়েছি বলে মনে পড়ে না। খাওয়ার আগে একজন ফতোয়া দিলো, পাহাড়ি মুরগি খাওয়া যাবে না। একটু পর দেখা গেলো তার প্লেটেই সবচেয়ে বড় টুকরা। তার ভাষ্যমতে, ভুল করে ঝোল খেয়ে ফেলেছে, বাকিটা খেলে কিছু হবে না। জম্পেশ খাওয়া-দাওয়ার পর চাঁদের আলোয় এদিক ওদিক খানিক ঘুরে ফিরে দেখলাম পাড়াটা। বেশ কয়েকটা দোকান আছে পাড়ায়, দোকানে দোকানে টিভি চলছে, সবাই ভীর করে আছে সেখানে। আরো কিছুক্ষণ হেঁটে একপ্রস্থ চা খেয়ে কটেজে এসে বসার ঘরে সবাই গোল হয়ে বসলাম। শীত পড়েছে জাঁকিয়ে। নিচে কলকল শব্দে বয়ে চলছে সাঙ্গু আর কোনো সাড়াশব্দ নেই। বেশ কিছুক্ষণ গল্পগুজব করে শুয়ে পড়লাম। পরদিন যেতে হবে নাফাখুমে।

নাফাখুম নিয়ে যাবে হাওয়াই মং। সহজ সরল লোক, সাঙ্গুতে নৌকা চালায়, গাইড করা তার সিজনাল ব্যবসা, নাফাখুমের পরে সে কিছু চেনেও না, মানুষ কেন এতো দূর থেকে খুম দেখতে আসে সেটাও সে ভালো মতো বুঝে না। এই লোক পরদিন ভোর ৫টায় এসে ডাকাডাকি শুরু করলো। প্রচণ্ড শীতের ঠেলায় দরজার বাইরে তখন পা দেওয়ার অবস্থা নেই। এর ভিতরই কোনোমতে কাঁপতে কাঁপতে বের হলাম খুমের পথে। বাইরে কুয়াশার ঝিল্লি দিয়ে ঢাকা সবকিছু। নদী থেকে ভাপ ওঠার মতো কুয়াশা উঠেছে। গাছেরাও তখন জাগেনি। রেমাক্রি থেকে নাফাখুম দেড়-দুই ঘণ্টার হাঁটা পথ। মারমা ভাষায় খুম মানে জলপ্রপাত। নাতিং নামক এক প্রকার মাছ উজান ঠেলে খুমে এসে আর পার হতে পারে না, পার্শ্ববর্তী ছোট ছোট গুহায় আশ্রয় নেয়। আদিবাসীরা সেখান থেকে মাছগুলো সংগ্রহ করে বলেই এটি নাফাখুম বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত। রেমাক্রি খাল ঘেঁষে, পাহাড়ের আড়ালে আড়ালে চলে গেছে খুমে যাওয়ার পথটা। পথে কিছু অস্থায়ী দোকান পড়ে; সেখান থেকে কলা আর সেদ্ধ ডিম দিয়ে নাস্তা করে নিলাম আমরা। নাফাখুম যেতে হলে বেশ কয়েকবার রেমাক্রি খাল পার হতে হবে, শীতের মৌসুমে পানি আমাদের হাঁটু পর্যন্ত ছিলো। রেমাক্রি থেকে নাফাখুম পুরো পথটাই বেশ সুন্দর, কখনো খালের পাশ দিয়ে কখনো পাহাড়ের গা বেয়ে কখনো বালুময় পথে হেঁটে চললাম। দুই ঘণ্টা পর যখন নাফাখুম দেখলাম দূর থেকে, সূর্যের রশ্মি পাহাড় পেরিয়ে ঠিক খুমের উপর পড়ছে। আমরা ছাড়া আর কেউ নেই তখন। রেমাক্রি খালের পানি বেশ কয়েক ধাপ সজোরে নেমে এই অনিন্দ্য সুন্দর খুমটা তৈরী করেছে। দুই পাশে সবজে উঁচু পাহাড়, কুয়াশার হালকা পর্দায় ঘেরা সব, আর এর ভিতর গর্জন করে বয়ে চলেছে নাফাখুমের সবুজ-নীল পানি।           

মনে হচ্ছিলো লর্ড অব দ্য রিংসের এলফদের সেই সিটি অফ রিভেনডেল চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি। বড় বড় পাথর কেটে পানির স্রোত কিছুদূর গিয়েই সবুজে নীল রঙ ধরে শান্ত হয়ে গেছে। খুমের পাশের পাহাড়ের বাড়িগুলো থেকে রান্নার ধোঁয়া উঠছে। সব মিলিয়ে মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। মুগ্ধতার রেশ কাটিয়ে যখন ফিরবো ভাবছি, দেখি হাওয়াই মং সেলফি তোলায় ব্যস্ত। ফিরে গিয়ে রেমক্রি খালে গোসল করে ব্যাগ গুছিয়ে নিলাম। সবুজ পানি, সাঙ্গু নদী, আমাদের জন্য অপেক্ষামান রাজা পাথর, কলসি পাথরদের বিদায় দিতে হবে। যেতে হবে দূরে, বগা লেকে।

থানচি থেকে বান্দরবান, বান্দরবান থেকে রুমা। রুমায় নতুন গাইড পেলাম, নাম হাবিব। কোনোরকম কাজের ভিতর নেই, আলসেদের বাদশা, গালগল্পে ওস্তাদ। গাইড আর বগা লেকে যাওয়ার পারমিশন নিয়ে চেপে বসলাম গাড়িতে। দেড় দুই ঘণ্টার মতো ধুলার সাগরে হাবুডুবু খেতে হলো। একে তো বাজে রাস্তা, তার উপর খালি চড়াই উতরাই। মাঝে একবার গাড়ি থেমে যাচ্ছে আর আমরা সবাই মিলে ঠেলা দিয়ে আবার চড়ে বসছি। এতো বাজে রাস্তার পর যখন বগা লেক দেখলাম, মন আপনা-আপনি শান্ত হয়ে এলো। দেশের সবচেয়ে গভীর প্রাকৃতিক এই লেকের পানি একদম শান্ত, স্থির, মাঝে মাঝে বাতাসে তিরতির করে কাঁপন উঠছে পানিতে। দুই পাহাড়ের কোলে শুয়ে থাকা গভীর এই লেকে ব্যস্ততা বলে যেন কিছু নেই। সময়টাকে যেন পাহাড়গুলো আটকে রেখেছে শক্ত হাতে, এই পাড়ায় ও আসতে পারবে না। পাড়ার মানুষগুলোও সময়ের ধার ধারে না যেন, সব সময় মুখে হাসি ধরে রেখেছে, সারাক্ষণ বসে ক্যারম খেলছে আর একটু পর পর খুব হাসাহাসি চলছে। বগা লেকে গোসল করে সন্ধ্যায় লেকপাড়ের বেঞ্চে বসে গল্পগুজব করতে করতে আঁধার নামতে দেখলাম লেকের পানিতে। স্থানীয় আদিবাসীদের বাড়িতে বাইবেল পাঠ চলছে, ঢং ঢং করে কী একটা যেন বাজছে; অবশ অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। লেক-এর কোনো বিকার নেই। শত শত বছর ধরে এসব দেখে আসা লেক তার কালো পানিতে কত কী রহস্য লুকিয়ে রেখেছে তার খবর কেউ কোনদিন নেয়নি... দশটা বাজতেই এখানে ঘুমিয়ে পড়ার নিয়ম। গভীর রাতে চাঁদ যখন পাহাড় ডিঙিয়ে পাড়ায় উঁকি দিলো, বাতাস আর লেকের পানির মৃদু ফিসফিসানি ছাড়া এই নিঝুম পাড়ায় আর কোনো শব্দ সে শুনতে পায়নি।

পরদিন সকাল সকাল বের হলাম কেওক্রাডংয়ের পথে। পাহাড়ি চালের ভাত, আলু ভর্তা আর একটা পাহাড়ি সবজি দিয়ে নাস্তা করে নিলাম সবাই। বগা লেক পাড়া থেকে কেওক্রাডং যেতে তিন-চার ঘণ্টার মতো লাগার কথা। হেঁটেও যাওয়া যায় আবার জীপ গাড়ি ভাড়া করেও যাওয়া যায়। পথে দুই তিনটা ঝর্ণা পড়ে কিন্তু শীতকালে অধিকাংশই মরে যায়। কেওক্রাডং ট্রেকিং-এ বারবার চড়াই উৎরাই করে সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে মানুষ। তাই কিছুদূর পরপরই বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নেয়ার ব্যবস্থা আছে। পাহাড়ের ভিতর দিয়ে দিয়ে পায়ে চলা সরু পাহাড়ি পথ ধরে হেঁটে চললাম আমরা ক’জন। কাশফুল আর ছোট ছোট নাম না জানা ফুলে পাহাড় ভর্তি হয়ে আছে দুই পাশেই। চিংড়ি ঝর্ণা পার হয়ে আধাআধি এসে পেয়ে গেলাম ভানু মুরংকে। ভানু আর তার বড় ভাই কলা বিক্রি করে সকালে, তারপর স্কুলে যায়। দুই মুরং ভাইকে বিদায় দিয়ে আরেকটু হেঁটে পৌঁছুলাম দার্জিলিং পাড়ায়। আর কিছুদুরেই কেওক্রাডং। সেখানে এক দোকানে হালকা খেয়ে আবার হাঁটা দিলাম পাহাড়ি পথ ধরে। কেওক্রাডংয়ে যখন পৌঁছাই, ১১টা বেজে গেছে। চারপাশ ঘুরে দুপুরে খেয়ে নিলাম লালা বমের বাসায়। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে রওনা দিলাম বগা লেকে। কেওক্রাডং-এ ওঠার চেয়ে নামা বেশ সোজা। পথে বেশ কিছু স্থানীয় কবর চোখে পড়লো। ক্রস আঁকা কবরগুলোর দিকে দেখাতেই হাবিব ভাই বললেন এলাকার মানুষদের কবর, বেশিরভাগই এখানে মারা যায় ম্যালেরিয়া নয়তো সাপের কামড়ে। প্রায় দুই ঘণ্টা হেঁটে বগালেক যেতে যেতে বিকেল হয়ে গেলো।

রাতটা কাটিয়ে এবার ঢাকার পথ ধরবার পালা। সহজ সরল, হাসিখুশি আদিবাসী, লেকের নিশ্চুপ গভীর নিরবতাকে বিদায় জানাতে হবে এবার। রাত ৯ টায় বাস। স্বর্ণ মন্দির ঘুরে এসে নিলাচলে বসে গল্পগুজব করছি সবাই মিলে। পুরো বান্দরবান শহর দেখা যায় এখান থেকে। আঁধার নামতেই দূর শহরে টিমটিমে বাতি জ্বলে উঠছে একের পর এক। বিশাল এলাকায় ওই শহরের বাতি দেখে খুব ভালোলাগা কাজ করে মনে। একটু আধটু ঢাকাকেও মনে পড়ছে। বুড়িগঙ্গার তীরের বাড়িগুলো থেকে নদীর দিকে তাকালে এই রকমই সুন্দর রাতের জীবন দেখা যায়। ঢাকার কথা মনে পড়তেই পরিচিত প্রিয় মুখগুলো ভেসে উঠলো চোখের সামনে। এইতো আর কয়েক ঘণ্টা। ড্রাইভার তাড়া দিচ্ছে বারবার বের হবার জন্য। আমরা ছাড়া বাইরের লোকও কেউ নেই তখন। ঠাণ্ডা বাতাস কুয়াশা তাড়িয়ে নিয়ে আসছে আমাদের দিকে। অন্ধকার রাস্তায় হাঁটছি আর পিছন থেকে একজন গান ধরলো, ফাগুনের দিন, শেষ হবে একদিন…

আসলেই, ফাগুনের দিনগুলি শেষ হয়ে যায়, কিন্তু ফাগুন রয়ে যায়...

0 comments

Leave a comment

Login To Comment