Image

সভ্য দেশের গল্প

সভ্য দেশের গল্প বলি একটু—

সভ্য বললাম এই কারনে যে, যেখানে আমি বা আপনি রাস্তায় বের হলে আগে গাড়ি দেখি তারপর রাস্তা পার হই, সেখানে ভুটানে, গাড়ি আপনাকে দেখে থেমে যাবে আর রাস্তা পার হতে সাহায্য করবে।ভুটানে প্রায় একটু পর পরই জেব্রা ক্রসিং দেখতে পাবেন।এই জেব্রা ক্রসিংয়ে দাড়িয়ে আমি অসংখ্যবার নিজেকে ভিআইপি ভেবে খুশি হয়ে গেছি।আপনি মেইন রোড থেকে যেইনা রাস্তা পার হতে জেব্রা ক্রসিংয়ে পা রাখবেন, মনে হবে যেনো রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে প্রতিটি গাড়িকে থামিয়ে দেয়া হয়েছে এমনভাবে গাড়িগুলো থেমে যাবে।

পাহাড় কেটে আঁকাবাঁকা করে বানানো সরু সরু রাস্তায় নেই কোন জ্যাম, নেই কারো তাড়াহুরা, নেই কারো মধ্যে অন্য কাউকে পিছনে ফেলে, নিজে এগিয়ে যাওয়ার মানুষিকতা।ঐ সরু রাস্তাতেই বাঁকা বাঁকা করে দাগ কাটা পার্কিং প্লেসেই সুশৃঙ্খলভাবে গাড়িগুলো পার্ক করা থাকে।সারারাত এভাবে গাড়ি পড়ে থাকলেও নেই কোন চুরির ভয়।বাংলাদেশের মতো তথাকথিত কোন গ্যারেজও নেই এখানে।ভুটানে হর্ণ বাজানো একদমই নিষেধ।

আর গল্প বলি কথাটা বলার কারন হলো, গল্পের বইয়েও এতো সভ্য আর স্বচ্ছ নগরীর উল্লেখ নেই যতটা ভুটান নিজে নিজেকে গল্পের মতো সাজিয়ে রেখেছে।আমি বহুবার হাতের ময়লা টিস্যু পেপারটা প্যান্টের পকেটের ভিতর রেখে দিয়েছিলাম হোটেলে ফিরে বিনে ফেলবো বলে! কারন রাস্তায়তো ময়লা নেই ই নেই, ময়লা ফেলার বিনও চোখে পড়েনা তেমন! ময়লা থাকলেতো বিন থাকবে? কিভাবে এমন পরিস্কার রাস্তাঘাট সম্ভব তা এই দেশটার কাছ থেকেই শিখা উচিৎ।মানুষগুলো যেনো সরলতার উপমা।আমরা বিদেশি বলে ভুটানিরা কখনো ঠকানোর চিন্তাও করেনা।

আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে ভুটানের গাছের পাতার রং।উফ! যেনো রংধনুর সাত রংয়ে মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে আকাশ, নদী, ঝর্ণা আর পাহাড়ের গা ঘেষে বেড়ে উঠা নানান রকম পাহাড়ি গাছের লাল, হলুদ আর সবুজ রংয়ের পাতারা।বিশ্বের একমাত্র কার্বন নেগেটিভ দেশ হবার একমাত্র কারনই এই হাজার হাজার পাহাড়ি গাছ।বাংলাদেশে আমার ২ টা ইনহেলার সবসময় সাথে সাথে থাকে- একটা রিমোভার আরেকটা কন্ট্রোলার।যতদিন ভুটান থেকেছি একবারের জন্যও আমি ইনহেলার নেইনি এত্ত ফ্রেশ অক্সিজেন এখানে।

আমি যেনো প্রতি মুহুর্তে টের পাচ্ছিলাম কত্ত বিশুদ্ধ বাতাস আমি বুক ভরে নিঃশ্বাসের সাথে টেনে নিচ্ছি।এতো হালকা লাগছিলো আমার।বাংলাদেশের মতো এতো ভারি লাগবেনা আপনার শ্বাস নিতে।কোন রকম ধুলা বালি নেই বলে একটুও কষ্ট হবেনা আপনার ঘন্টার পর ঘন্টা হাটতে।ভুটানে কিন্তু ধূমপান একদমই নিষিদ্ধ, ধরা পড়লেই মোটা অংকের জরিমানা।এখানে ভুটানি “গোলট্রামের” এর পাশাপাশি সমমূল্যের ভারতীয় রুপিও চলে।হোটেল, রেস্টুরেন্ট চালানো থেকে শুরু করে, সব কাজ বেশিরভাগই মেয়েরাই করে থাকে দেখলাম।

ভুটানে লক্ষনীয় বিষয় হলো, ওরা রাতের বেলা খুব তাড়াতাড়ি খাবার দোকানসহ সব ধরনের দোকানই বন্ধ করে দেয়, তাই রাতের খাবার ৮ টার মধ্যেই সেরে ফেলতে হবে।আবার ঘুম থেকে উঠেও দেরি করে তাই সাথে সবসময় একটু এক্সট্রা খাবার রাখবেন যেমন- খেজুর, বাদাম, ড্রাইফ্রুট।আমি বাংলাদেশ থেকে এসব নিয়ে গিয়েছিলাম।এখানে স্ট্রিটফুড বলতে কিচ্ছু নেই।কোথাও খুজে পাবেননা।ইন্ডিয়ান কিছু খাবার দোকান মাঝে মাঝে খুজে পাবেন।একটা মসজিদও চোখে পড়বেনা আপনার, তাই আযানও শুনতে পাবেননা ভুটানে।ভুটান আর বাংলাদেশ সময় প্রায় সেইম তাই নামাজটা সময় দেখে হোটেলেই পড়ে নিতে পারবেন।

প্রায় সব ভুটানির পোশাক একই রকম। পুরুষের পোশাক 'গো' (gho) যেটা হাটু পর্যন্ত লম্বা।আর নারীর পোশাক 'কিরা' (kira) যা দেখতে অনেকটাই স্কার্টের মতো লাগে।পুরুষরা পায়ের দিকে মোজা পরলেও আমার দেখে খুব অবাক লেগেছিলো এই ভেবে যে এতো ঠান্ডায় তাদের কি হাঁটুতে ঠান্ডা লাগেনা! থিম্পু আর পারো তে রাস্তার দুই পাশে প্রচুর আপেল গাছ আর বাগানের দেখা মিলবে।আগষ্ট - সেপ্টেম্বর এই দুই মাস আপেলের মৌসুম।তাই এই সময় যারা যাবেন তাদের গাছ থেকে ছিড়ে আপেল খাওয়ার সৌভাগ্য হবে তবে অবশ্যই অনুমতি সাপেক্ষে।

কিভাবে যাবেন: ভুটানে আপনি দুইভাবে যেতে পারেন!

১. বাই এয়ার: ভুটানের অফিশিয়াল এয়ারলাইন্স এর নাম ড্রুক এয়ার, এবং ঢাকা থেকে সেখানে যেতে হলে আপনাকে এই এয়ারপোর্ট দিয়েই যেতে হবে।

২. বাই রোড: বাই রোডে যেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইনডিয়ার ট্রানজিট ভিসা নিতে হবে।পোর্ট দিতে হবে চেংড়াবান্ধা/জয়গা।যাবার সময় আমরা মানিক এক্সপ্রেসে গাবতলি থেকে বাসে উঠেছি রাত ৯ টায়।টিকেট ছিলো ১১০০ টাকা করে।পরের দিন সকাল ৮ টার মধ্যে আমরা বাংলাদেশের বর্ডার বুড়ীমারী পৌছে যাই।

বুড়ীমারী থেকে এক্সিট সিল নিয়ে ইনডিয়ার বর্ডার চেংড়াবান্ধা থেকে এন্ট্রি সিল নিয়ে ১৭০০ টাকা দিয়ে একটা ট্যাক্সি নিয়ে চলে যাই জয়গা।জয়গা থেকে আবার এক্সিট সিল নিয়ে ভুটানের ফুয়েন্টশলিং থেকে এন্ট্রি সিল নিয়ে ভুটানে পৌছার সব প্রসিডিউর শেষ করি।

আপনারা ১৫০০ টাকাতেই ট্যাক্সি পেয়ে যাবেন।আমরা ২০০ টাকা বেশি দিয়েছি কারন ড্রাইভারের সাথে আমাদের কথা ছিলো সে আমাদের ইনডিয়ার বর্ডার পার করে ভুটান ইমিগ্রেশন অফিসে নিয়ে গিয়ে এন্ট্রি সিলের কাজ শেষ করে থিম্পুর বাস স্ট্যান্ডে পৌছে দিবে।

আমাদের ট্যুর প্ল্যান যেরকম ছিলো:
—————————————
মাল্টিন্যাশনাল ব্যাংকে জব করার সুবাদে প্রতি বছর আমি ১৫ দিনের একটা লম্বা ছুটি পাই, যেটা সাধারনত আমি ডিসেম্বরের শেষেই নেই।তো এই সময়টাকে ঘিরেই আমার যত প্ল্যান থাকে।এর আগে আমি ইনডিয়ার ৫ টা প্রদেশ ঘুরে এসেছিলাম তাই এবারের প্ল্যান ছিলো সভ্য দেশ ভুটানকে নিয়ে।

প্ল্যান করতে করতেই চলে এল ট্রাভেল ট্যাক্সের মন খারাপ করা সংবাদ, তবুও যাবোই যাবো।যেতেতো আমাকে হবেই কারন এতো লম্বা ছুটি ঘরে বসেই কাটাবো? তাতো হতে দিতে পারিনা।অনেক খোজ খবর নিয়ে জানতে পারলাম ট্রাভেল ট্যাক্স জানুয়ারী থেকে দিতে হবে।যাক বাবা আলহামদুলিল্লাহ বলে ভিসার কাজ শুরু করলাম।

ধৈর্য্য পরীক্ষার চূড়ান্ত সীমা দেখার জন্য জীবনে একবার হলেও ট্রানজিট ভিসার জন্য এপ্লাই করবেন।সত্যি বলছি ঘুরার সখ মিটে যাবে।তবুও আমি নাছোড়বান্দা, ভুটান আমাকে দেখতেই হবে।একটা কথা বলে রাখি, আপনি হাতে সময় রেখে যত আগেই ট্রানজিট ভিসার জন্য এপ্লাই করেন না কেনো ভিসা আপনাকে যাবার ১/২ দিন আগে দিবে।

আমার টিকেট কাটা ছিলো ১৭ ডিসেম্বরের আর আমি ভিসা পাই ১৫ তারিখ।এদিকে ১৬ ডিসেম্বরের বন্ধ থাকায়, নিজে ব্যাংকার বলে স্পেশাল এপ্রুভাল নিয়ে, অনেক ঝক্কি ঝামেলা করে ক্রেডিট কার্ড আর পাসপোর্টে ক্যাশ এনডর্জ করেছি ১৫ তারিখ বিকেলেই।তাই আপনারা ভিসা এপ্লাই এর আগেই এনডর্জমেন্টের এই কাজগুলো সেরে রাখবেন।

আমি আর আমার হাজব্যান্ড এই দুজনেরই ট্যুর ছিলো এটা।নিজেদের মতো করে আমরা ট্যুর প্ল্যান করি, কখনই কোন প্যাকেজ নেইনা।কারন আমরা দুজনেই হচ্ছি শখের আর বাজেট ট্রাভেলারস।আমিতো প্রচন্ড টাইপের অসুস্থ মানুষ, কোন ট্যুর মানেই ট্যুর শেষে আমি কাইত।শ্বাসকষ্ট থাকার কারনে কখনো কোন হাইকিং বা ট্র্যাকিং করতেই পারিনা তাই আমরা সব সময় আরাম ট্যুর দেই।

আপনারা ভুটান যাওয়ার আগে একটু গুগল করে যাবেন।বিভিন্ন ট্যুর গ্রুপের পোস্ট আর একটু ইউটিউব ঘেটে খোজ খবর নিয়ে যাবেন কারন আমি আগেই বলেছি, আমরা হচ্ছি শখের ট্রাভেলারস।কোন জায়গা দেখতে ট্র্যাকিং করে, কষ্ট করে যেতে হয় এমন জায়গাগুলো আমরা স্কিপ করে যাই।তবুও শখ করে ভুটানে যা যা দেখেছি তা একটু ছোট্র করে তুলে ধরলাম..

•থিম্পু- ১৭ ডিসেম্বর রাত ৯ টায় রওনা দিয়ে পরের দিন সকাল ৯ টায় বুড়ীমারী পৌছাই।বাংলাদেশ আর ইনডিয়া বর্ডারের সব কাজ শেষ করে ভুটানের ফুয়েন্টশলিং এ পৌছি দুপুর ২ টায়।ফুয়েন্টশলিং এ ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করে থিম্পুতে পৌছাই রাত ১০ টায়।থিম্পুতে যেতে ট্যাক্সি ভাড়া দেই ২৫০০ রুপি।আরেকটা কাপল পেয়ে যাই তাই ২৫০০ রুপি ভাগাভাগি করে দেই।১৯ তারিখ ১৫০০ রুপিতে ঐ কাপলের সাথেই ট্যাক্সি শেয়ার করে থিম্পুর সাইট সিয়িং করি।বুদ্ধা পয়েন্ট, বিবিএস টাওয়ার থিম্পুর অন্যতম সুন্দর জায়গা।ট্রাভেল ট্যাক্সের খবর শুনে এতো বেশি ট্যুরিস্ট ছিলো যে, কিছু কিছু ট্যুর স্পট বন্ধ ছিলো।

•পুনাখা- এতো লম্বা জার্নি করে প্রায় সিক আমি সেদিন।তো ২০ তারিখ পুনাখা পারমিশনের জন্য ইমিগ্রেশন অফিসে কাগজ জমা দেই সকাল ১১ টায়, ৩:৩০ মিনিটে পারমিশনের কাগজ সংগ্রহ করতে বলে।২০ তারিখ থিম্পুর আশেপাশেই একটু ঘুরি, খাইদাই আর রেস্ট নেই।২১ তারিখ সারাদিনের জন্য ৩০০০ রুপিতে ট্যাক্সি ভাড়া করে আমরা দুজনেই ঘুরি।পুনাখাতে দেখি দোচালা পাস, পুনাখা জং, সাসপেনশন ব্রিজ।অদ্ভূত সুন্দর ছিলো জায়গা গুলো।

•পারো- ২২ তারিখ ৪৩০০ টাকায় ট্যাক্সি ভাড়া করি এভাবে যে, সারাদিন পারো ঘুরিয়ে তারপর ফুয়েন্টশলিং এ পৌছে দিবে।চেলালা পাসে পারমিশন লাগে এটা আমরা জানতামনা তাই যেতে পারিনি, এটা আমার সারাজীবনের আফসোস থেকে যাবে।কারন আমি যাওয়ার আগে কোথাও কোন পোস্ট বা ইউটিউবে দেখিনি বা কোন ব্লগেও পড়িনি পারমিশন লাগে, সম্ভবত এটা রিসেন্ট চালু হয়েছে।টাইগার নেস্টে ৩ ঘন্টা হাইকিং করে উপরে যেতে হয় তাই নীচ পর্যন্ত গিয়েছি।ওখানে দেখেছি একটা সুন্দর নদী, পারো জং, পারো এয়ারপোর্ট।

•ফুয়েন্টশলিং- ২২ তারিখ রাত হয়ে যায় ফুয়েন্টশলিং পৌছাতে।পরের দিন ২৩ তারিখ আমরা পুরো শহর ঘুরে বেড়িয়েছি আর টুকটাক শপিং করেছি।ওখানে একটা পার্ক আছে।রাতে পার্কের ভিতরের লাইটিং গুলো খুবই সুন্দর লাগে।ঝমকি নামে একটা ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট আছে ওখানে, মন ভরা বাঙালি খাবার খেয়ে সেই তৃপ্তি পাবেন।একমাত্র এখানে খেয়েই শান্তি পেয়েছিলাম আমি।

২৪ তারিখ ১২ টায় চেকআউট করে বের হয়ে যাই বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে।ফুয়েন্টশলিং থেকে ১৫০০ রুপিতে বুড়ীমারী।ওখান থেকে আসার সময় নন এসি বাসে এস আর ট্রাভেলস এ আসি।জনপ্রতি ভাড়া ৬৫০ টাকা করে।

এই ছিলো আমাদের ৬ রাত ৭ দিনের কাপল ট্যুর।সব মিলে খরচ হয়েছিলো এদিক সেদিক করে ৩৫০০০ টাকা।তবে আমি যেটা মনে করি, একজনের ট্যুর প্ল্যানের সাথে আরেকজনের ট্যুর প্ল্যান কখনই মিলবেনা।খরচের ব্যাপারটাও ঠিক তেমন।একটা ট্যুরে মানুষের সংখ্যা যত বেশি হবে, খরচ ততই কমে যাবে।

আমি শুধু একটু ধারনা দিলাম বাকিটা আপনারা যে যার যার মতো করে আরেকটু গুছিয়ে, সুন্দর করে একটা ট্যুর দিয়ে ফেলতে পারবেন।ভুটানের খাবার, হোটেল, আবহাওয়া, ট্যুর প্ল্যান, খরচ নিয়ে প্রচুর ইউটিউব ভিডিও পাবেন, ব্লগ পাবেন তাছাড়া গুগল তো আছেই।কোনকিছু বাদ পড়ে গেলে বা কিছু ভুল লিখলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

যে জিনিসগুলো অবশ্যই মনে রাখবেন:
——————————————

* ট্রানজিট ভিসার জন্য যা যা লাগবে তা হলো- জাতীয় পরিচয় পত্র ও পাসপোর্টের ফটোকপি, ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট, ঢাকা-বুড়ীমারী অরিজিনাল টিকেট, হোটেল বুকিং এর ফটোকপি, ইউটিলিটি কপি, ২/২ সদ্য তোলা ছবি, চাকরি হলে NOC/ ব্যবসা হলে ট্র্যাড লাইসেন্স এর ফটোকপি, ইন্ডিয়ার পূর্বের কোন ভিসা থাকলে সেই ভিসার ফটোকপি।

* ভুটানে শুক্র ও শনিবার হচ্ছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন তাই পুনাখা আর পারোর চেলালা পাসের পারমিশনের জন্য এই দুইদিন কাগজ জমা দেয়া যাবেনা এটা মনে রাখবেন।পারমিশনের ফর্মের সাথে ভুটানের এন্ট্রি সিলের ফটোকপি আর পাসপোর্টের ফটোকপি লাগবে।ইমিগ্রেশন অফিস হচ্ছে ভুটান ডেভেলপম্যান্ট ব্যাংকের অপজিটে।

* অবশ্যই অবশ্যই হোটেল বুকিংয়ের কয়েক কপি ফটোকপি সাথে রাখবেন।কারন ভুটান ইমিগ্রেশনের সময় এটা লাগে।আর ছবি লাগে।

* এই সিজনে গেলে একটা ওয়াটার হিটার সাথে নিয়ে যাবেন, ঠান্ডা পানি খেত খুব কষ্ট হয়।সাথে পর্যাপ্ত শীতের কাপড়।

—> ভুটান একেবারেই স্বচ্ছ সুন্দর ঝকঝকে একটা দেশ।পরিষ্কার এই দেশটায় ময়লা আবর্জনা চোখেই পড়বেনা।ময়লা ফেললেই নিশ্চিত জরিমানা।নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলাও একরকম দায়িত্ববোধ।আসুন সেই বোধ থেকেই একটা নির্মল পরিবেশ আমরা পৃথিবীকে উপহার দিতে শিখি।

0 comments

Leave a comment

Login To Comment